মঙ্গলবার, ২৩ Jun ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

যে কারণে দক্ষিণী সিনেমায় ঝুঁকছে বলিউড

আপনি জানেন কি কনসেপচুয়াল সিনেমা হিসেবে শাহরুখ খান অভিনীত জিরো (২০১৮, ডিজাস্টার) ও ফ্যানের (২০১৬, ফ্লপ) স্টোরি লাইন সবচেয়ে ইউনিক ছিল? সদ্য মুক্তি পাওয়া জওয়ান (২০২৩) থেকে ওই দুটো সিনেমায় হাজার গুণ ভালো অভিনয় করেছিলেন শাহরুখ। কিন্তু ইউনিক কনসেপ্ট আমরা গ্রহণ করি না বলে দক্ষিণী সিনেমার রিমেক করা হচ্ছে। সিনেমার জন্য বাধ্য হয়ে আনা হচ্ছে দক্ষিণী পরিচালক।

এমনিতে কনসেপচুয়াল থেকে কমার্শিয়াল সিনেমা বেশি দর্শক প্রশংসিত হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে যখন একজন ফ্যান তার প্রিয় তারকার প্রতি অবসেসড হয়ে যায় এবং তার শত্রু হয়ে ওঠে; আমরা পর্দায় ডিম ছুড়ে মারি। একই অবস্থা হয় জিরোর ক্ষেত্রেও। সিনেমাটিতে আনুশকা শর্মা ও শাহরুখ চমৎকার অভিনয় করেছিলেন। কিন্তু এসব সিনেমা শাহরুখ ভক্তদের মন জয় করতে পারেনি। কিন্তু পাঠান (২০২৩) ও জওয়ান দেখে আমরা যারা তাকে ‘বাহ বাহ’ দিচ্ছি, সেই সমপরিমাণ প্রশংসা জিরো বা ফ্যানের জন্য দেওয়া উচিত ছিল, যা আমরা দিইনি।

জওয়ানের কোনও গান মন কেড়ে নেয়নি। কিন্তু জিরো এবং দিলওয়ালে (২০১৫) সিনেমার গানগুলো বেশ সুন্দর ছিল। যদিও এসব সিনেমা শাহরুখের ক্যারিয়ারের দুর্বলতা হিসেবেই দেখা হয়। আইএমডিবিতে ফ্যানের রেটিং ৬.৯। কিন্তু শাহরুখ সিনেমায় দুটো ভিন্ন চরিত্র করেছেন। সে সময় খুব সংখ্যক দর্শক ওই ধরনের গল্পের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। তখন সিনেমার প্রমোশন হত পুরনো আমলের স্ট্রেটেজি ফলো করে। এখন যেভাবে প্রমোশন চলছে সেটা ফ্যান বা জিরো পেলেও হয়তো জওয়ানের মতো হাইপ উঠত না। কিন্তু শাহরুখের ক্যারিয়ারে ডিজাস্টার অন্তত থাকত না।

২০১৫ সাল পর্যন্ত পুরনো মার্কেটিং স্ট্রেটেজি থাকা সত্ত্বেও বজরঙ্গী ভাইজান (২০১৫) বা চেন্নাই এক্সপ্রেস (২০১৩) মতো ব্লকব্লাস্টার পেয়েছি। কিন্তু বছর পেরোতেই বলিউডের দর্শক বদলে গেছে। যেখানে সালমান খানের ভারত (২০১৯) সিনেমার শেষাংশ কোনোভাবেই বজরঙ্গী ভাইজান থেকে কম ছিল না। মানুষ কেঁদেছিল। একইভাবে ফ্যান সিনেমায় তরুণ শাহরুখকে ছাদ থেকে নিচে পরে যেতে দেখে অনেকেই কেঁদেছে। টিউবলাইটে (২০১৭) সালমানের সরলতা দেখে মানুষ কেঁদেছে, কিন্তু তাদের ঝুলি ভরেছে ফ্লপ-ডিজাস্টার।

ভাবতে অবাক লাগে একসময় বলিউডে কমার্শিয়াল বা কনসেপচুয়াল সিনেমার বাইরেও গল্পনির্ভর কমেডি হত। হাঙ্গামা, হালচাল, চুপ চুপ কে, ভাগাম ভাগ, হেরা ফেরি, ওয়েলকাম, গোলমাল, মুন্না ভাই এমবিবিএস-এর মতো সিনেমা হিট হতো। বর্তমানে এসব সিনেমা রিলিজ হলে কতটাই বা দর্শক সমাদর পাবে? হয়তো এই আশঙ্কায় এখনও আটকে আছে রাজু হিরানির ‘মুন্না ভাই চালে আমেরিকা’।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com